Pages

BDeshiMahathir's Blog Headline Animator

Showing posts with label আওয়ামিলিগ. Show all posts
Showing posts with label আওয়ামিলিগ. Show all posts

Saturday, November 2, 2013

বাকশালের অপরিহার্যতা বনাম আগামী নির্বাচনের আওয়ামীলিগের ক্ষমতায় আসার অপরিহার্যতা- ফলাফল ভিন্ন হবে কি ?

অমি রহমান পিয়ালের মত পাগল ছাগলরা শেখ মুজিবের জন্য তখনকার প্রেক্ষাপটে বাকশাল করাটা অপরিহার্য প্রমান করার চেষ্টা  করলেও করতেই পারে। 

কিন্তু শেখ মুজিবর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ডের পর বাংলাদেশ যেমন পৃথিবীর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যায় নাই, আওয়ামীলিগ বাংলাদেশ থেকে নাই হয় যায় নাই, তেমনি উনি বাকশাল না করলেও এসবের কিছুই হত না। বাকশাল না করে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ছেড়ে দিলে উনার পরিবার এরকম নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হতেন না, দেশের রাজনীতিতে এরকম তিক্ততা তৈরী হত না।  বাংলাদেশ এবং আওয়ামীলিগ এরকম ক্ষতিগ্রস্থ হত না।


 ঠিক একই ভাবে

Friday, October 25, 2013

হাসিনা আপা দেশের জন্য রক্ত দেওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে নির্বাচন দেন।

মাননীয়  আজকে থেকে অবৈধ প্রধান মন্ত্রী,


 আপনি কথায় কথায় দেশের জন্য জীবন দিতে চান, বাবার মত রক্ত দিতে চান। সেই দিন নাকি মন্ত্রী  সভাতেও এমন বলেছেন।

 এই খানে একটা ভুল আছে, আপনার বাবা রক্ত দেন নি। উনার রক্ত নেওয়া হয়েছিল।      

 উনি ক্ষমতা আকড়ে থাকতে চাওয়ায় কিছু লোক উনার রক্ত  নিয়েছিল। উনার রক্ত নিতে গিয়ে আরো অনেকের রক্ত নিয়েছিল। কাজটা কারোর জন্য ভএল হয় নাই, না আপনার বাবার জন্য , না দেশের জন্য , না আওয়ামীলিগের জন্য , না যারা রক্ত নিয়েছিল তাদের জন্য।


 কিন্তু তখনকার  প্রেক্ষাপটে  কাজটাকে মেনে নিয়েছিল। কারণ , আপনার বাবার শাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার  অন্য কোন উপায় কেউ দেখছিল না।

 এখন আপনিও যদি গায়ের জোরে ক্ষমতা আকড়ে থাকতে চান, দুই এক জন ক্ষুব্ধ লোক আপনার রক নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে , হতে পারে তারা সিভিলিয়ান বা আর্মির লোক।

 তাই পরামর্শ হচ্ছে, ক্ষমতা ছেড়ে দেন। আপনি হারাবেন না, আপনার দল  ও দেশ থেকে হারিয়ে যাবে না।


 যেমন আপনার বাবা যদি বাকশাল না করে ক্ষমতা ছেড়ে দিতেন নির্বাচনের মাধ্যমে ,তাহলে  যেমন উনি হারাতেন না আর বাংলাদেশ আর উনার দল যে হারিয়ে যায় নি তা ত খালি চখেই দেখা যাচ্ছে।

 তাই আপনি নির্দলীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিলে আপনার দল হারিয়ে যাবে না, বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্র  নৈ হয়ে যাবে না।  কিন্তু না ছাড়লে  আপনার ও আপনার  দলের এবং বাংলাদেশের অনেক ক্ষতি হয়ে যাতে পারে।

 তাই দেশের জন্য  রক্ত দেওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে  নির্বাচন দেন। দোহাই আপনার দেশের জন্য রক্ত দেওয়ার গো ধইরেন না।

এতে দেশের কারোর কোন লাভ হবে না, রাজণৈতিক তিক্ততা আরো বাড়বে।


Saturday, October 19, 2013

বিএনপির অস্থির হওয়ার কোন প্রয়োজন নাই, তবে বিএনপি কে যা করতে হবে

বিএনপির উচিত সর্ব দলীয় সরকারের প্রস্তাব গ্রহন করে খালেদা জিয়াকে সরকার প্রধান হিসেবে প্রস্তাব করা। 

এর মাধ্যমে  নিরপেক্ষ সরকারের যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে  আপনা আপনি, যখন আওয়ামীলিগ  খালেদা জিয়া কে সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যাখান করবে।

 বিএনপির অস্থির হওয়ার কোন প্রয়োজন নাই, মুখের উপর এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করার।  বিএনপি যেন  জামাতের মত  সরাসরি প্রত্যাখান না করে ।


  সরকার কে সরকারের প্রস্তাবের ফাদে ফেলতেই

Monday, October 14, 2013

চিন্তার দৈন্য আর আওয়ামীলিগের অস্তিত্বের সংকট।

মতিয়া চৌধুরী কহিয়াছে,


কোন দল নির্বাচনে এল না এল সেটা বড কথা নয়, নির্বাচনে জনগনের অংশ গ্রহনই বড় কথা।  


 কিন্তু আওয়ামীলিগ কে গিলে খাওয়া এই বাম নেত্রী বুঝতে পারছেন না, বড় কোন দল অংশ গ্রহন না করলে  জনগণ ও অংশ গ্রহন করবে না।

 চিন্তা চেতনায়  বাংলাদেশ সবচেয়ে দ্ররিদ  এই দলটি মনে করছে , ভোট কেন্দ্রে ৫১ ভোটার হাজির করতে পারলেই নির্বাচন গ্রহনযোগ্য হবে।

তা যদি হয়ও, এরা কি তা হাজির করতে পারবে?

 তারা ত মনে করছে, পারবে। সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে তাদের প্রার্থীরা ৪০% ভোট পেয়েছে।  তারা  ধরেই নিচ্ছে, এই ৪০% ভোটার সবাই  নিজে থেকেই ভোট কেন্দ্রে যাবে। আর  ফুসলাইয়ে ফাসলাইয়ে কোন মতে আরো ১১% লোক কে  কেন্দ্রে নিতে পারলেই কেল্লা ফতে।

 কিন্তু এই অতি বুদ্ধিমানরা  যে তিন টি  পয়েন্ট মাথায় রাখিতেছে না, তাহা হচ্ছে-



  • যে খেলার ফলাফল আগে থেকেই জানা সে খেলায় পাব্লিকের আগ্রহ থাকে না

  •  খেলা প্রতিদন্দিতাপুর্ন হবে না আগে থেকে জানা থাকলেও পাবলিক তেমন আকৃষ্ট হয় না

  •  আর যেখানে দাঙ্গা হাঙ্গামার সম্ভাবনা আগে থেকেই আচ করা যায়, সেখানেও পাবলিক যায় না।


সুতরাং সরকার সমর্থক সব লোক জন যে ভোট কেন্দ্রে যাবে না ভোট দিতে, বিশেষ করে  মহিলা আর

যাদের কর্মস্থল ভোট কেন্দ্র থেকে দূরে ,তারা যে ভাবে না , তাদের বড় একটা অংশ যে ভোট কেন্দ্রে যাবে

না, তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়।

 ফলে  নুন্যতম ৫১% ভোটার উপস্থিত করার  খায়েশ পুরণ হবার নয়।


 কিন্তু ক্ষমতার মোহে অন্ধরা

Sunday, October 13, 2013

ওবায়দুল কাদের সাহেব, আমরা দেখার অপেক্ষায় আছি

জনাব ওবায়দুল কাদের সাহেব,




আওয়ামীলিগের নেতাদের মধ্যে আমরা আপনাকে  একটু মান সম্মত মনে করি।





আপনি একটু উন্নত মানের যদিও  অত না যত না আওয়ামীলিগের লোকজন মনে করে।




 আপনি বলার চেষ্টা করেছেন যে, আপনারা এক দলীয় ইলেকশন করবেন না।




 কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে, আপনাদের দল এক দলীয় নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।

 প্রশ্ন হচ্ছে,

Wednesday, October 9, 2013

ডঃ ইউনুস, ব্যারিষ্টার হক, সম্পাদক, সাংবাদিক , আইনবিদ, ব্লগার সহ শুশীল সমাজের প্রতি খোলা চিঠি

ডঃ ইউনুস, ফজলে হাসান আবেদ,  ব্যারিষ্টার রফিকুল হক, তুহিন মালিক,  সাংবাদিক মুসা, সম্পাদক নুরুল কবির, মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমান, মতিউর রহমান চৌধুরী, নাঈমুল ইসলাম খান,  নইম নিজাম, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মাহফুজ উল্লাহ,  পীর হাবিব, অঞ্জন রায়, মনির হায়দার, উপস্থাপক জিল্লুর রহমান,  ব্লগার রবি, আরিফ জেবতিক,  আরিফ আর হোসেইন, সাবেক আমলা আকবর আলী, আসরাফ ঊদ্দৌলা,  অধ্যাপক আসিফ নজরুল, ডঃ পিয়াস করিম, বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখার চৌধুরী, , মাহমুদুর রহমান মান্না, কাদের সিদ্দিকি, মাহি বি চৌধুরী, সৈয়দা রেজোয়ানা, স্বতন্ত্র এম্পি ফজলুল আজিম সহ দেশের  সুশীল সমাজের প্রতি খোলা চিঠি।

শান্তির জন্য শান্তিপুর্ণ অবস্থান নিন রাস্তায়
আপনারা  দেশের উন্নতি অগ্রগতির জন্য রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করছেন, তাদের পরামর্শ দিয়েছেন। নির্বাচন নিয়ে  যে সমস্যা তৈরী হয়েছে দেশে, আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন । কিন্তু আমি আপনাদের একটা পরামর্শ দিতে চাই, একটা আবেদন জানাতে চাই। সেটা হচ্ছে, সমালোচনা, পরামর্শ আর তাগিদ দেওয়ার প্যাসিভ ভুমিকা ছেড়ে এবার এক্টিভ ভুমিকা নিন। দেশের শান্তিপ্প্রিয় জনগন কে নিয়ে শান্তিপুর্ন ভাবে রাস্তায় নামুন। কারণ,৭১-২০০৬ কখনোই আলোচনার মাধ্যমে কোন সমস্যার সমাধান হয় নাই। এবারো হবে না, প্রথমত সরকারের সমাধান করার ইচ্ছা নাই। দ্বিতীয়ত, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার মত নেতৃত্ব সরকারের মধ্যে নাই। আর বিরোধী দলে আছে কি নাই, সে প্রশ্ন আবান্তর। কারণ বিরোধী দলের হাতে এক্সিকিউটিভ কোন পাওয়ার নাই। বিরোধী দল চাইলেও কিছু করতে পারবে না, যদি না সরকার চায় আন্তরিকভাবে। কিন্তু

Thursday, October 3, 2013

শেখ হাসিনার প্রতি একটি শালীন খোলা চিঠি. Open letter to Sheikh Hasina

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

আপনার খুব দুঃখ, আপনি ফজর পড়ে দিন শুরু করেন, নিয়মিত কুরান পড়েন।
তার পরেও আপনার দলকে ইসলামের হেফাযত কারী মনে করে না দেশের জনগনের বিরাট এক অংশ । মনে করে নাস্তিকের দল।

অন্য দিকে আপনার প্রতিদন্ধী খালেদা জিয়া দুপুর ১২টায় দিন শুরু করেও ইসলামের হেফাযত কারী হিসেবে জনগনের কাছে গ্রহন যোগ্য বলে আপনি মনে করছেন। হ্যা, ইউনিট ত ফজর পড়ে, কুরান পড়ে আবার ঘুমাতে পারেন। অনেকেই এরকম করে। কিন্তু আপনি আর এরকম চিন্তা করার মত ক্ষমতা রাখেন না। 

সভা সমিতিতে আপনার কথা বার্তা থেকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আমরা যে খবর পাই, তা থেকে আমরা এরকমই জানতে পারি।

কিন্তু আপনি কি ভাবে দেখেছেন , কেন আপনাকে, আপনার দলকে ধর্ম পন্থী মানুষ,  পছন্দ করে না।

করে না,কারণ -

১। মোনাফেকের যে চারটি লক্ষন আছে তা আপনার কথা আর কাজে মধ্যে দেখা যায়



২। আপনারা জোট করেছেন ধর্ম বিদ্বেষী  বাম আর নাস্তিকদের সাথে । বন্ধু দেখে মানুষ চেনা যায়। বাম আর নাস্তিকদের বন্ধু যারা তাদের কে ধর্মভীরু জনগন কোন চোখে দেখবে, আপনিই বলেন?



 বিএনপি ৭১ এর সময় স্বাধীনিতার বিরোধীতাকারী জামাতের সাথে জোট করেছে বলে আপনি বিএনপি স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি বলে গন্য করেন।

 বাম আর নাস্তিকদের সাথে জোট করার কারনে জনগন আপনাকে কি ভুল চোখে দেখছে? 

পয়েন্টগুলি ভেবে দেখবেন আশাকরি

ইতি
বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক

ভবিষত কিং মেকার 

Sunday, September 15, 2013

বিএনপি, জামাত আর হেফাযত কর্মীদের প্রতি একটা প্রশ্ন

বাম আর নাস্তিকে গিলে খাওয়া আওয়ামীলিগ যদি গায়ের জোরে আবার ক্ষমতায় আসে

 তাহলে

 বিএনপি নেতা কর্মীদের জন্য  দেশ কেমন হবে ? ফুলের বাগান না হাবিয়া দোজখ?



হেফাযতের নেতাকর্মী আর ধর্ম্ভীরু মানুষদের  অবস্থা কেমন হবে ?
                                                               বেহেশতের বালা খানা  নাকি কারবালার ময়দান?


 জামাত শিবিরের কি অবস্থা হবে তা কি আর  জিগাইতে  হয়?


এখন যে মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন,  বিএনপি , হেফাযত আর জামাতের নেতা কর্মীদের কি আর ঘরে বসে থাকার সময় সুযোগ আছে ?