Pages

BDeshiMahathir's Blog Headline Animator

Showing posts with label নির্বাচন. Show all posts
Showing posts with label নির্বাচন. Show all posts

Thursday, November 21, 2013

অশান্তির বীজ অঙ্কুরেই নষ্ট করে দিতে হবে আপনাকেই, আপনারই স্বার্থে

যেন তেন প্রকারের এক দলীয় একটা নির্বাচন করে আওয়ামীলিগ গায়ের জোরে যদি পাচ বছর ক্ষমতায় থাকতেও পারে( পারার যদিও তেমন কারন ণাই), তাহলেও দেশে শান্তি আসবে না। 



পুলিশ ,র‍্যা, বিজিবির সদস্য, তাদের আত্নীয় সন্তান থেকে শুরু করে দেশের সাধারণ জনগন কেউ শান্তি স্বস্তিতে জীবন যাপন করতে পারবে না 



তাই অশান্তির বীজ এই

Thursday, November 14, 2013

প্রিয় দেশবাসী, ভেবে দেখুন দেশে দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনতে ভুমিকা রাখবেন, না অশান্তি জিয়ে রাখতে ভুমিকা রাখবেন।

বাংলাদেশে শান্তি না থাকলে আমরা বাংলাদেশীরা যে  দল বা মতেই বিশ্যবাস করি না কেন, পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন , আমাদের মনে শান্তি স্বস্তি থাকে না।

 সামনে যে এক দলীয় নির্বাচনের তোর জোর চলতেছে, তা ঠেকানো না গেলে দেশে দীর্ঘ দিন  অশান্তি   চলতে থাকবে।

কিন্তু  একপাক্ষিক নির্বাচনটা যদি জনগন ঠেকিয়ে দেয় , তাহলে  দেশে  আগেই শান্তি চলে আসবে। এমন কি এটা দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি বয়ে আনতে পারে। কারণ আওয়ামীলিগের এক দলীয় নির্বাচন যদি ঠেকে যায়, তখন অন্য কোন দল আর এরকম নির্বাচন করার চিন্তাও করবে না।

তাই বাংলাদেশী যে যেখানেও থাকুক, যে দলীয় আদর্শেই বিশ্বাস করুক, দেশে শান্তির স্বার্থে এই এক  দলীয় নির্বাচন ঠেকাতে ভুমিকা রাখা উচিত।

 আপনি যদি সরকারী চাকরীজীবি হয়ে থাকেন, তাহলে  নির্বাচনী ব্যাপারে আপনার নিস্কৃয়তাই নির্বাচন ঠেকাতে  ভুমিকা রাখবে।

 আপনি যদি পুলিশ, র‍্যাব আর বিজিবি তে থাকেন, তাহলে নির্বাচন ইস্যুতে আপনার নিস্কৃয়তা নির্বাচন ঠেকাতে ভুমিকা রাখবে।

 আপনি যদি সাংবাদিক হয়ে থাকেন, তাহলে  নির্বাচন ঠেকাতে  ভাল  ভুমিকা রাখতে পারেন।

 আর সাধারণ জনগন হিসেবে আপনি  ভোট দানে বিরত থাকতে পারেন,  আপনার আত্নীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব কে  নির্বাচনী কাজে নিস্কৃয় থাকতে  ভুমিকা রাখতে পারেন।

প্রিয় দেশবাসী  ভেবে দেখুন দেশে দ্রুত শান্তি  ফিরিয়ে আনতে ভুমিকা রাখবেন, না অশান্তি জিয়ে রাখতে ভুমিকা রাখবেন। 

Sunday, November 10, 2013

পুলিশ, র‍্যাব, বিডিয়ার, সরকারী চাকরীজীবি আর দেশবাসির প্রতি কিছু প্রশ্ন

প্রিয় পুলিশ, র‍্যাব, বিডিয়ার আর সরকারী চাকরীজীবি ভাই বোনেরা,

 

 

দেশের ৭৫% শতাংশের  বেশী মানুষ নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। তাই দলীয় সরকারের অধীনে

 

 

 

নির্বাচন অনুষ্ঠানে হাসিনাকে সহযোগীতা করে দেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন না ত? এক দলীয় নির্বাচনে সহায়তা করে

 

 

দেশে অশান্তি দীর্ঘায়িত করছেন না ত হে পুলিশ, র‍্যাব, বিডিয়ার  আর সরকারী চাকরী জীবি ভাইয়েরা ও বোনেরা ।

 

 

 নিজেদের শান্তি ,দেশ বাসীর শান্তি নষ্ট করছেন না ত ?





প্রিয় দেশবাসী,

দেশে এক দলীয় নির্বাচন প্রতিহতে এক্টিভ ভুমিকা না রেখে দেশে অশান্তি দীর্ঘায়িত করনে প্যাসিভ ভুমিকা রাখছেন না ত ? আওয়ামীলিগের এক দলীয় নির্বাচন ঠেকিয়ে দিলে দেশে কি আর কেউ এরকম নির্বাচন করার সাহস ত দুরের কথা, চিন্তা করবে ? হাসিনার এক দলীয় নির্বাচন ঠেকিয়ে দিলে দেশের একটা সমস্যার কি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়ে যাবে না ? কোন ভুমিকা পালন করবেন ভেবে দেখুন।

 এক জন সাধারন বাংলাদেশী

Sunday, November 3, 2013

আওয়ামীলিগের এখন বিপর্যয় ঠেকানোর চিন্তা করতে হবে এবং উপায় মাত্র একটা

বলা হচ্ছে,
হাসিনার সরকারের জনপ্রিয়তা যে পর্যায়ে নেমেছে, তা স্বাধীন বাংলাদেশের অন্য কোন সরকারের জনপ্রিয়তা এত নিচে নামে নাই, এমন কি ৯০ এ এরশাদের সরকারের  ও  না।

দলের নেতা কর্মীদের মনোবল  নাকি ভেঙ্গে পড়েছে? 

 কিন্তু দায়ী কে এর জন্য ? 


 কে আবার ? যার বা যাদের সিদান্তে দল আর সরকার চলেছে সে বা তাহারাই।


কে না জানে, গত পাঁচ বছর সরকার আর দল চলেছে শেখ হাসিনার একক সিদান্তে। তাই দল আর সরকারের এই লেজে গুবরে অবস্থার জন্য একক ভাবে ত  শেখ হাসিনাই দায়ী?  নাকি অণ্য কেউ? 


কোন রোগ হলে যেমন রোগের কারণ দূর করাই সেই রোগ সারানোর উপায়, তেমনি যার নেত্রিত্বের কারণে  আওয়ামীলিগের এই  করুণ দশা, তাকে সরানোই এক মাত্র সমাধান। 

 যে শেখ হাসিনার নেতৃত্যবের কারণে দলের জনপ্রিয়তায় এমন ধস আর নেতা কর্মীদের মনোবলের এমন ভগ্ন দশা, সেই হাসিনার পক্ষে কি তা মেরামত করা সম্ভব?  ইতিহাস তা বলে 

 যাই হোক, আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলিগের পরাজয় ঠেকানুর কোন উপায় নাই। তবে বিপর্যয় ঠেকানোর

Friday, November 1, 2013

বাংলাদেশে কোন দলটি নিশ্চিহ্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার ?

বাংলাদেশে কি অতিমাত্রায় ভারতের প্রতি নতজানু কোন দলের দরকার আছে? যদি না থাকে, তাহলে অতি মাট্রে নতজানু  দলটি নিশ্চিহ হওয়া সময়ের ব্যাপার।


বাংলাদেশে কি মাদকাসক্ত লোকের দরকার আছে?  না থাকলে মাদকাসক্তিতে চ্যাম্পিয়ান দলটি নিশ্চিহ্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার।


বাংলাদেশে কি নারী নির্যাতন কারী দলের দরকার আছে? না থাকলে নারী নির্যাতনে চ্যাম্পিয়ান দলটি নিশ্চিহ্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার।


বাংলাদেশে কি শিক্ষক পিটানো লোকের দরকার আছে? না থাকলে  শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলায় আর বিচার না করায় চ্যাম্পিয়ান দলটি নিশ্চিহ্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার।


  বাংলাদেশে কি সরকারী চাকরীজীবিদের গায়ে হাত তোলে এমন লোকের দরকার আছে ? না থাকলে সরকারী চাকরীজীবি  নির্যাতনে চ্যাম্পিয়ান দলটি নিশ্চিহ্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার ।


বাংলাদেশে কি ভিন্ন মতের প্রতি অতি মাত্রায় অসহনশীল কোন দলের দরকার আছে? না থাকলে ভিন্ন মতের প্রতই নির্যাতনে চ্যাম্পিয়ান দলটি নিশ্চিহ্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার ।

যার দরকার নাই, সে টিকে থাকে না। বাজারে চাহিদা না থাকলে যেমন কোণ পন্য খুব বেশী দোকানে পাওয়া যায় না, তেমনি যেমন দলের চাহিদা নাই, তেমন দল বাংলাদেশে থাকবে না। আস্তে আস্তে  নাই হয় যাবে ।


 এখন প্রশ্নগুলির উত্তর খুজে নিয়ে আপনি দেখতে পারেন  ৪০ উর্দ্ধ প্রজন্মে জনপ্রিয় কোন দলটি এই প্রজন্ম  পরপারে চলে যাওয়ার পর হারিয়ে যাবে। 

Sunday, October 27, 2013

আওয়ামীলিগ গায়ের জোরে আবার ক্ষমতায় আসলে সরকারী চাকরীজীবিদের কি হবে ?

প্রিয় সরকারী চাকরীজীবি আর ইঞ্জিনিয়ার ভাই ও বোনেরা,

 সব মিলিয়ে আপনারা কেমন আছেন?  গত চার বছরে সরকারী  দল ছাত্র লিগ, যুব লিগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের  বর্বর নেতা কর্মী আর আওয়ামীলিগের এমপিদের হাতে  দেশের যত সরকারী চাকরীজীবি মার দোরের স্যবীকার হয়েছে, তাতে আপনাদের ভাল  না থাকারই কথা ।


 আচ্ছা আপনাদের কাছে কিছু প্রশ্ন,


১। পাবনায় নিয়োগ পরীক্ষার হলে  ঢুকে  সরকারী চাকরীজিবিদের গায়ে যেভাবে হাত তোলা হয়েছিল , তার নজীর কি , শুধু বাংলাদেশ(Bangladesh) কেন, পৃথিবী( The world)তে দ্বিতীয়টা পাওয়া যাবে? তখন মহিলা ম্যাজিস্ট্রেটকে ঘিরে ধরে তার গায়ে যেভাবে হাত দেওয়ার খবর আমরা পড়েছি, এ রকম বর্বরতা কি ৭১ এ ঘটেছিল?  সেই সব বর্বর ছাত্রলিগ, যুবলিগ নেতাদের কি এরকম বর্বরতার জন্য বিচার হয়েছে, নাকি সব গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে?



২। বাংলাদেশ(Bangladesh) ব্যাংকের কর্মকর্তাদের গায়ে যারা হাত তুলেছিল সেই বর্বর ইউনিয়ন নেতাদের  কেমন শাস্তই দিয়েছে এই আওয়ামীলিগ সরকার ? নাকি তাদেরও জামাই আদর করা হচ্ছে?  বিএনপির সময় ও এরকম বর্বরতা দেখিয়েছিল তখনকার ইউনিয়ন নেতারা? বিএনপিই বা কেমন শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নিয়ে ছিল?



৩। এর বাইরে সারাদেশের কত জন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার(UNO) বর্বর ছাত্রলীগ, যুব লিগের হাতে মার খেয়েছে তার কি হিসাব আছে? শুরুতে এগুলি খবরের কাগজে  খবর হলেও এখন ত তাও হয় না।


 আমরা  পত্রিকায় পরেছি, কয়দিন আগে নিজ দলের লোকের হাতে মারা পরা ধোবাঊড়ার উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিমের হাতেই দুইজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিগৃহিত হয়েছিল।  এরকম নিগৃহিত  উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রকৃত সংখ্যা কত?





  ৪)। কয়জন সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলার জন্য  গোলাম মওলা রনি এমপি কে  গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু অনেক গুলি সরকারী কর্মকতার গায়ে, শিক্ষক , ইঞ্জিনিয়ারের গায়ে হাত তোলার অপরাধে  এমপি বদির গায়ে কি ফুলের আচড় পর্যন্ত পড়েছে?



৫) কথা মত টেন্ডার বন্টন না করার কারণে সারা দেশের  কতজন নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার(Engineeer) ছাত্রলীগ, যুব লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলিগের হাতে  লাঞ্ছিত হয়েছে তার সঠিক পরীসংখ্যান কি পাওয়া যাবে?





 আর কোন প্রশ্নের কি  দরকার আছে গত চার বছরে সরকারী কর্ম কর্তাদের গায়ে হাত তোলা আর তার কোন বিচার না করার ভয়াবতা তোলে ধরার জন্য?

Friday, October 25, 2013

হাসিনা আপা দেশের জন্য রক্ত দেওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে নির্বাচন দেন।

মাননীয়  আজকে থেকে অবৈধ প্রধান মন্ত্রী,


 আপনি কথায় কথায় দেশের জন্য জীবন দিতে চান, বাবার মত রক্ত দিতে চান। সেই দিন নাকি মন্ত্রী  সভাতেও এমন বলেছেন।

 এই খানে একটা ভুল আছে, আপনার বাবা রক্ত দেন নি। উনার রক্ত নেওয়া হয়েছিল।      

 উনি ক্ষমতা আকড়ে থাকতে চাওয়ায় কিছু লোক উনার রক্ত  নিয়েছিল। উনার রক্ত নিতে গিয়ে আরো অনেকের রক্ত নিয়েছিল। কাজটা কারোর জন্য ভএল হয় নাই, না আপনার বাবার জন্য , না দেশের জন্য , না আওয়ামীলিগের জন্য , না যারা রক্ত নিয়েছিল তাদের জন্য।


 কিন্তু তখনকার  প্রেক্ষাপটে  কাজটাকে মেনে নিয়েছিল। কারণ , আপনার বাবার শাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার  অন্য কোন উপায় কেউ দেখছিল না।

 এখন আপনিও যদি গায়ের জোরে ক্ষমতা আকড়ে থাকতে চান, দুই এক জন ক্ষুব্ধ লোক আপনার রক নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে , হতে পারে তারা সিভিলিয়ান বা আর্মির লোক।

 তাই পরামর্শ হচ্ছে, ক্ষমতা ছেড়ে দেন। আপনি হারাবেন না, আপনার দল  ও দেশ থেকে হারিয়ে যাবে না।


 যেমন আপনার বাবা যদি বাকশাল না করে ক্ষমতা ছেড়ে দিতেন নির্বাচনের মাধ্যমে ,তাহলে  যেমন উনি হারাতেন না আর বাংলাদেশ আর উনার দল যে হারিয়ে যায় নি তা ত খালি চখেই দেখা যাচ্ছে।

 তাই আপনি নির্দলীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিলে আপনার দল হারিয়ে যাবে না, বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্র  নৈ হয়ে যাবে না।  কিন্তু না ছাড়লে  আপনার ও আপনার  দলের এবং বাংলাদেশের অনেক ক্ষতি হয়ে যাতে পারে।

 তাই দেশের জন্য  রক্ত দেওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে  নির্বাচন দেন। দোহাই আপনার দেশের জন্য রক্ত দেওয়ার গো ধইরেন না।

এতে দেশের কারোর কোন লাভ হবে না, রাজণৈতিক তিক্ততা আরো বাড়বে।


Saturday, October 19, 2013

বিএনপির অস্থির হওয়ার কোন প্রয়োজন নাই, তবে বিএনপি কে যা করতে হবে

বিএনপির উচিত সর্ব দলীয় সরকারের প্রস্তাব গ্রহন করে খালেদা জিয়াকে সরকার প্রধান হিসেবে প্রস্তাব করা। 

এর মাধ্যমে  নিরপেক্ষ সরকারের যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে  আপনা আপনি, যখন আওয়ামীলিগ  খালেদা জিয়া কে সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যাখান করবে।

 বিএনপির অস্থির হওয়ার কোন প্রয়োজন নাই, মুখের উপর এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করার।  বিএনপি যেন  জামাতের মত  সরাসরি প্রত্যাখান না করে ।


  সরকার কে সরকারের প্রস্তাবের ফাদে ফেলতেই

Thursday, October 17, 2013

হাসিনার ভাষন- তত্বাবধায়ক আসলে হেন করেঙ্গা তেন করেঙ্গা ল্যাং মেরে খালেদার ছেলেদের ঠ্যাং ভাঙ্গেং গা আর আমাদের ...

 অন লাইন মিডিয়ার বদৌলতে আমরা  প্রায় সবাই জানি, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীর উদ্দেশ্যে ভাষন দিবেন।



 উনার ভাষনে যদি আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সমস্যার সমাধান হয় ত খুবই খুশি হতাম। কিন্তু ক্লাস সেভেন


থেকে  রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামানু এই আমি হাসিনা কে যত টুকু জানি, তাতে আশাবাদী হতে পারছি না।




উনি বলার চেষ্টা করবেন, গত  ৫ বছরে ৫৬ হাজার বর্গ মাইলে পঞ্চান্ন হাজার নির্বাচন হয়েছে উনার সরকারের অধীনে। কেউ কারচুপির অভিযোগ করতে পারে নাই।

আর

 তত্বাবধায়ক আসলে  হেন করেঙ্গা তেন করেঙ্গা ল্যাং মেরে খালেদার ছেলেদের  ঠ্যাং ভাঙ্গেং গা আর

Monday, October 14, 2013

চিন্তার দৈন্য আর আওয়ামীলিগের অস্তিত্বের সংকট।

মতিয়া চৌধুরী কহিয়াছে,


কোন দল নির্বাচনে এল না এল সেটা বড কথা নয়, নির্বাচনে জনগনের অংশ গ্রহনই বড় কথা।  


 কিন্তু আওয়ামীলিগ কে গিলে খাওয়া এই বাম নেত্রী বুঝতে পারছেন না, বড় কোন দল অংশ গ্রহন না করলে  জনগণ ও অংশ গ্রহন করবে না।

 চিন্তা চেতনায়  বাংলাদেশ সবচেয়ে দ্ররিদ  এই দলটি মনে করছে , ভোট কেন্দ্রে ৫১ ভোটার হাজির করতে পারলেই নির্বাচন গ্রহনযোগ্য হবে।

তা যদি হয়ও, এরা কি তা হাজির করতে পারবে?

 তারা ত মনে করছে, পারবে। সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে তাদের প্রার্থীরা ৪০% ভোট পেয়েছে।  তারা  ধরেই নিচ্ছে, এই ৪০% ভোটার সবাই  নিজে থেকেই ভোট কেন্দ্রে যাবে। আর  ফুসলাইয়ে ফাসলাইয়ে কোন মতে আরো ১১% লোক কে  কেন্দ্রে নিতে পারলেই কেল্লা ফতে।

 কিন্তু এই অতি বুদ্ধিমানরা  যে তিন টি  পয়েন্ট মাথায় রাখিতেছে না, তাহা হচ্ছে-



  • যে খেলার ফলাফল আগে থেকেই জানা সে খেলায় পাব্লিকের আগ্রহ থাকে না

  •  খেলা প্রতিদন্দিতাপুর্ন হবে না আগে থেকে জানা থাকলেও পাবলিক তেমন আকৃষ্ট হয় না

  •  আর যেখানে দাঙ্গা হাঙ্গামার সম্ভাবনা আগে থেকেই আচ করা যায়, সেখানেও পাবলিক যায় না।


সুতরাং সরকার সমর্থক সব লোক জন যে ভোট কেন্দ্রে যাবে না ভোট দিতে, বিশেষ করে  মহিলা আর

যাদের কর্মস্থল ভোট কেন্দ্র থেকে দূরে ,তারা যে ভাবে না , তাদের বড় একটা অংশ যে ভোট কেন্দ্রে যাবে

না, তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়।

 ফলে  নুন্যতম ৫১% ভোটার উপস্থিত করার  খায়েশ পুরণ হবার নয়।


 কিন্তু ক্ষমতার মোহে অন্ধরা

Sunday, October 13, 2013

ওবায়দুল কাদের সাহেব, আমরা দেখার অপেক্ষায় আছি

জনাব ওবায়দুল কাদের সাহেব,




আওয়ামীলিগের নেতাদের মধ্যে আমরা আপনাকে  একটু মান সম্মত মনে করি।





আপনি একটু উন্নত মানের যদিও  অত না যত না আওয়ামীলিগের লোকজন মনে করে।




 আপনি বলার চেষ্টা করেছেন যে, আপনারা এক দলীয় ইলেকশন করবেন না।




 কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে, আপনাদের দল এক দলীয় নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।

 প্রশ্ন হচ্ছে,

Wednesday, October 9, 2013

ডঃ ইউনুস, ব্যারিষ্টার হক, সম্পাদক, সাংবাদিক , আইনবিদ, ব্লগার সহ শুশীল সমাজের প্রতি খোলা চিঠি

ডঃ ইউনুস, ফজলে হাসান আবেদ,  ব্যারিষ্টার রফিকুল হক, তুহিন মালিক,  সাংবাদিক মুসা, সম্পাদক নুরুল কবির, মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমান, মতিউর রহমান চৌধুরী, নাঈমুল ইসলাম খান,  নইম নিজাম, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মাহফুজ উল্লাহ,  পীর হাবিব, অঞ্জন রায়, মনির হায়দার, উপস্থাপক জিল্লুর রহমান,  ব্লগার রবি, আরিফ জেবতিক,  আরিফ আর হোসেইন, সাবেক আমলা আকবর আলী, আসরাফ ঊদ্দৌলা,  অধ্যাপক আসিফ নজরুল, ডঃ পিয়াস করিম, বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখার চৌধুরী, , মাহমুদুর রহমান মান্না, কাদের সিদ্দিকি, মাহি বি চৌধুরী, সৈয়দা রেজোয়ানা, স্বতন্ত্র এম্পি ফজলুল আজিম সহ দেশের  সুশীল সমাজের প্রতি খোলা চিঠি।

শান্তির জন্য শান্তিপুর্ণ অবস্থান নিন রাস্তায়
আপনারা  দেশের উন্নতি অগ্রগতির জন্য রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করছেন, তাদের পরামর্শ দিয়েছেন। নির্বাচন নিয়ে  যে সমস্যা তৈরী হয়েছে দেশে, আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন । কিন্তু আমি আপনাদের একটা পরামর্শ দিতে চাই, একটা আবেদন জানাতে চাই। সেটা হচ্ছে, সমালোচনা, পরামর্শ আর তাগিদ দেওয়ার প্যাসিভ ভুমিকা ছেড়ে এবার এক্টিভ ভুমিকা নিন। দেশের শান্তিপ্প্রিয় জনগন কে নিয়ে শান্তিপুর্ন ভাবে রাস্তায় নামুন। কারণ,৭১-২০০৬ কখনোই আলোচনার মাধ্যমে কোন সমস্যার সমাধান হয় নাই। এবারো হবে না, প্রথমত সরকারের সমাধান করার ইচ্ছা নাই। দ্বিতীয়ত, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার মত নেতৃত্ব সরকারের মধ্যে নাই। আর বিরোধী দলে আছে কি নাই, সে প্রশ্ন আবান্তর। কারণ বিরোধী দলের হাতে এক্সিকিউটিভ কোন পাওয়ার নাই। বিরোধী দল চাইলেও কিছু করতে পারবে না, যদি না সরকার চায় আন্তরিকভাবে। কিন্তু